জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম | bdris.gov.bd

 জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম :-   আজকে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করব জন্ম নিবন্ধন এর বয়স সংশোধনের নিয়ম। জন্ম নিবন্ধন হলো আমাদের পরিচয় পত্র। জন্ম নিবন্ধন ছাড়া বর্তমানে কোন স্কুলে ভর্তি হওয়া যায় না। যেকোনো কাজের জন্য জন্ম নিবন্ধন অতি গুরুত্বপূর্ণ। তাই জন্ম নিবন্ধন জেন সঠিক হয় সেদিকে আমাদের সবারই লক্ষ্য রাখা উচিত। যদি ভুল হয় তাহলে সেটি সংশোধন করে নেওয়া উচিত।

জন্ম নিবন্ধন যদি আপনার বয়স ভুল হয় তাহলে আপনাদের করনীয় কি কি হবে? এবং সংশোধন করার জন্য কি কি দলিল লাগবে সেগুলো আমি নিচে আলোচনা করে দিচ্ছি। আপনারা যদি এ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়েন। তাহলে আশা করি, জন্মনিবন্ধনের সম্পর্কে প্রশ্ন থাকলে সেগুলোর উত্তর পেয়ে যাবেন। 

আরো পড়ুন - ওয়ালটন ফ্রিজ 10 সেফটি দাম কত

টেলিটক নাম্বারে টাকা চেক 

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কত টাকা লাগে



জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম



জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম

জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম


শিশুর জন্ম নিবন্ধনের সময় টিকা কার্ড ব্যবহার করে থাকে এবং সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করার পরই ভুল ধরা পড়ল। তবে আপনি অনলাইনে বা ফরম পূরণকরে টিকা কার্ড পুনরায় জমা দিয়েই জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে পারবেন।


আমার জন্ম তারিখ ১৯৮৭ এর স্থলে ১৯৭৮ হয়ে গেছে তবে আপনি আপনার জন্ম তারিখ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আপনার এস.এস.সি বা সমমান সনদ বা যে কোন শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার সনদ প্রদর্শন করে বা আপনার যদি এনআইডি কার্ড থাকে সেটিতে যদি সঠিক জন্ম তারিখ থাকে সেটি প্রর্দশন করে বা যুক্ত করে অনলাইনে জন্ম সনদ সংশোধনের আবেদন করতে পারেন।


আপনার যদি নিজের এনআইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্র বা জে.এস.সি., এস.এসসি, এইচ.এসসি বা যে কোন বোর্ড পরীক্ষার সনদের সঠিক জন্ম তারিখ থাকে তা দিয়ে আপনি জন্ম নিবন্ধন নম্বর সংশোধন করতে পারেন। জন্ম তারিখ সংশোধনের স্বপক্ষে কোন কোন প্রমানক আপনাকে উপস্থাপন করতে হবে। তা নিচে আলোচনা করা হলো। 



জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার প্রয়োজনীয় তথ্য


জন্ম নিবন্ধন যদি বয়স ভুল হয় সেক্ষেত্রে আপনাদের কি কি দলিল পত্র লাগবে সেগুলো নিচে আলোচনা করব। 



১. ই পি আই কার্ড(শিশুর টিকা কার্ড)।

২. নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির এস এস সি বা শিক্ষা কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন সনদ বা সার্টিফিকেটের স্ক্যান করা কপি।

৩. নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র।

৪. পিতার জাতীয় পরিচয়পত্র বা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (যদি অস্বাভাবিক জন্ম তারিখ দেওয়া থাকে এবং অন্য কোন প্রমানক না থাকে।

৫. ইস্যু সম্পর্কিত ফাইল (যদি পুরাতন জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করেন)।

৬. চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র বা চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত জন্ম সংক্রান্ত সনদের সত্যায়িত কপি বা পুরণকৃত আবেদনপত্রে বার্থ এটেডেন্সের এর প্রত্যয়ন বা ইপিআই (টিকা কাড) কার্ডের সত্যায়িত আনুলিপি।


উপরের তথ্যগুলো দিয়ে সাবমিট করে আপনারা জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করতে পারবেন।যখন  জন্ম নিবন্ধনের বয়স সংশোধন করবেন তখন অবশ্যই পুনরায় সঠিক তথ্য দিয়ে সাবমিট করতে হবে। 



উপরে জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আপনার যদি মনযোগ সহকারে গড়ে থাকেন। তাহলে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম জানতে পারবেন। জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন অনলাইন বা অফলাইন করতে পারবেন। আপনারা প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করে জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করে নিতে পারবেন। আশা করি পোস্টটি থেকে আপনারা একটু উপকৃত হবেন। 
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url