জন্ম নিবন্ধন যাচাই yyyy mm dd | everify.bdris.gov.bd

জন্ম নিবন্ধন যাচাই yyyy mm dd | everify.bdris.gov.bd


জন্ম নিবন্ধন যাচাই yyyy mm dd:- আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব জন্ম নিবন্ধন যাচাই yyyy mm dd ও জন্ম নিবন্ধন যাচাই apps। জন্ম নিবন্ধন যাচাই করা এবং অনলাইন জন্ম নিবন্ধন যাচাই এখন আরো সহজ। বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা আছে কিনা সেটা যাচাই করা প্রয়োজন। আপনারা যদি এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পুরোটা পড়ুন তাহলে, জন্ম নিবন্ধন যাচাই yyyy mm dd ও জন্ম নিবন্ধন যাচাই apps সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

আরো পড়ুন - জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কত টাকা লাগে 

জন্ম নিবন্ধন যাচাই


জন্ম নিবন্ধন যাচাই এখন খুবই সহজ, যে কেউ চাইলে ঘরে বসে অনলাইনে মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারবে। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার জন্য যে সকল তথ্যের প্রয়োজন নিচের তা উল্লেখ করা হলো।


১. ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নম্বর

২. জন্ম তারিখ yyyy mm dd


উল্লিখিত দুটি তথ্য হলে যে কেউ জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারবে অর্থাৎ ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে কিনা যাচাই করতে পারবে।

আরো পড়ুন - জন্ম নিবন্ধন বয়স সংশোধন করার নিয়ম | bdris.gov.bd

জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে যাচাই


আমাদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে আছে কিনা তা জানার উপায় হল জন্ম নিবন্ধন অনলাইন চেক। আপনার জন্ম সনদ যদি অনলাইনে না থাকে তাহলে বর্তমান সময়ে এসে, হাতের লেখা জন্ম সনদ বা জন্ম নিবন্ধন এর কোন মূল্য নেই। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে আছে কি না সেটি যাচাই করা।

আর জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে যাচাই করার পর যদি সেটা everify.bdris.gov.bd এই ওয়েব সাইটে না থেকে তা হলে জন্ম নিবন্ধন করার জন্য নিচের উপায়ে যে কোন জন্ম সনদ বা জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে করতে পারবেন। নিচের পদ্ধতি গুলো অনুসরন করুন।


১. নিজে নিজে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা (https://everify.bdris.gov.bd)

২. ইউনিয়ন পরিশোধ / চেয়ারম্যান কার্যালয় থেকে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা


জন্ম নিবন্ধন যাচাই yyyy mm dd 


আমরা অনেকেই শুধু জন্মসাল দিয়ে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে চাই। প্রকৃতপক্ষে শুধুমাত্র জন্মসাল দিয়ে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই  করা সম্ভব নয়। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার জন্য দুটি তথ্যের প্রয়োজন তা উপরে ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। এখন আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে যাচাই করা যায়। আপনারা যদি এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করেন তাহলে আশা করি, আপনারা আপনাদের জন্মনিবন্ধন খুব সহজেই ঘরে বসে যাচাই করে নিতে পারবেন।


জন্ম নিবন্ধন যাচাই apps


জন্ম নিবন্ধন যাচাই apps  জন্ম নিবন্ধন যাচাই কোন অফিশিয়াল অ্যাপ নেই। তবে আপনি জন্ম নিবন্ধন যাচাই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই জন্ম নিবন্ধন যাচাই করতে পারবেন। জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার জন্য কি কি প্রয়োজন এবং আপনারা সেটি কীভাবে করবেন। নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে আশা করি, আপনারা ঘরে বসে আপনাদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে খুব সহজে যাচাই করে নিতে পারবেন।


১.  জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার ওয়েবসাইট


এখন আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব জন্ম নিবন্ধন যাচাই এর ওয়েবসাইট লিঙ্ক। আপনারা প্রথমে জন্ম নিবন্ধন যাচাইকরণ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে https://everify.bdris.gov.bd/ জন্ম নিবন্ধন যাচাই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আপনি তিনটি খালি ঘর দেখতে পারবেন। এই তিনটি খালিঘর পূরণ করে আপনারা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন যাচাই করে নিতে পারবেন।


২. জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার লিঙ্ক


প্রথম ঘরে ১৭ সংখ্যার জন্ম সনদ নাম্বার দিতে হবে দ্বিতীয় টিতে আপনার জন্ম সাল yyyy mm dd এবং তৃতীয় ঘরে  একটি ক্যাপচা পূরণ করুন। 


৩. অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই


এখন সব তথ্য সঠিক ভাবে দেয়া হয়ে গেলে  সার্চ বাটনে ক্লিক করার পর আপনার জন্ম নিবন্ধন এর সকল তথ্য চলে আসবে।


যদি উক্ত জন্ম সনদ জন্ম নিবন্ধন কার্ড অনলাইন রেজিস্টার লিপিবদ্ধ না হয়ে থাকে তাহলে, কোন তথ্য প্রদর্শন করবে না। প্রদত্ত ইনপুট এর যেকোনো একটি যদি ভুল প্রবেশ করিয়ে থাকেন তাহলেও কোন প্রকার তথ্য দেখাবে না। তাই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন যাচাই এর ক্ষেত্রে সতর্কতার সহিত তথ্যগুলো ইনপুট করুন।


নতুন জন্ম নিবন্ধন জন্য আবেদন


একটি শিশুর জন্মের পরপরই তার জন্ম নিবন্ধন করে ফেলা উচিত কেননা জাতীয় পরিচয় পত্র পাওয়ার আগ পর্যন্ত একটি শিশু বা ব্যক্তির একমাত্র পরিচয় পত্র বা রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব দাবিদার এই জন্ম নিবন্ধন।


জন্ম ও মৃত্যু আইন ২০০৪ অনুসারে একটি শিশুর জন্ম নিবন্ধন শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে করে ফেলা বাধ্যতামূলক।


তবে আমাদের বিভিন্ন প্রকার সমস্যার কারণে যদি শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করতে না পারেন তাহলে, শিশুর বয়স ৫ বছর হওয়ার আগেই জন্ম নিবন্ধন করে ফেলা উচিত। আর যদি ৫ বছর বয়স অতিক্রম হওয়ার পর জন্ম নিবন্ধন করতে চাওয়া হয় তাহলে, জন্ম নিবন্ধন করার জন্য অতিরিক্ত তথ্য বা ডকুমেন্টের প্রয়োজন হবে।


নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম


নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য শিশুর বয়স ভেদে বিভিন্ন প্রকার ডকুমেন্ট বা তথ্যের প্রয়োজন হয়। অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম পূরণ করার জন্য যে সকল তথ্যের প্রয়োজন হয় নিচে তার বয়সভেদে আলোচনা করা হলো :-


শিশুর বয়স ০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে হলে:-


শিশুর জন্মের পর ০ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত জন্ম নিবন্ধন করার জন্য যে তথ্যগুলো লাগবে সেগুলো নিচে দেওয়া হল: 


১. ইপিআই (টিকা) কার্ড

২. পিতা ও মাতার ডিজিটাল বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি

৩. পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি

৪. বাসার হোল্ডিং নম্বর এবং হাল সনের হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ

৫. আবেদনকারী পিতা-মাতা/ অভিভাবকের মোবাইল নম্বর


শিশুর বয়স ৪৬ থেকে ৫ বছরের মধ্যে হলে:-


শিশুর বয়স ৪৬ দিন থেকে ৫ বছর পর্যন্ত হলে জন্ম নিবন্ধন করতে যে তথ্যগুলো লাগবে সেগুলো নিচে দেওয়া হল:


১. ইপিআই (টিকা) কার্ড / স্বাস্থ্য কর্মীর প্রত্যায়নপত্র (স্বাক্ষর ও সীলসহ)

২. পিতা ও মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি

৩. পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি

৪. প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র (স্বাক্ষর ও সীলসহ)

৫. বাসার হোল্ডিং নম্বর এবং হাল সনের হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ

৬. আবেদনকারী পিতা-মাতা/ অভিভাবকের মোবাইল নম্বর

৭. আবেদন ফরম জমা দেয়ার সময় ১ কপি রঙ্গিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি


৫ বছরের বেশি শিশু বা ব্যক্তির জন্য:-


শিশুর বয়স যদি ৫ বছরের বেশি হয় তাহলে জন্ম নিবন্ধন করতে যে সমস্ত তথ্য গুলো লাগবে তা নিচে আলোচনা করা হলো:


১. বয়স প্রমাণের জন্য চিকিৎসক কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্র (বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত এমবিবিএস বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী)

২. সরকার কর্তৃক পরিচালিত প্রথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট

৩. পিতা ও মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি

৪. পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি

৫. অথবা, জন্মস্থান বা স্থায়ী ঠিকানা প্রমাণের জন্য পিতা / মাতা/ পিতামহ / পিতামহীর দ্বারা স্বনামে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ঘোষিত আবাস স্থলের বিপরীতে হালনাগাদ কর পরিশোধের প্রমানপত্র

৬. অথবা, জমি অথবা বাড়ি ক্রয়ের দলিল, খাজনা ও কর পরিশোধ রশিদ। (নদীভাঙ্গন অন্য কোন কারনে স্থায়ী ঠিকানা বিলুপ্ত হলে)


শিশুর বয়সের ক্ষেত্রে যে সমস্ত তথ্য গুলো লাগবে সেগুলো উপরে আলোচনা করা হয়েছে। আপনারা যারা আপনাদের সন্তানদের এখনো জন্ম নিবন্ধন করেননি, তারা এই তথ্যগুলো উপস্থাপন করে জন্ম সনদ তৈরি করে নিতে পারবেন। 




Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url